প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধ ভালো

ফেমি-ফ্রেশ

ফেমিনিন হাইজিন ওয়াশ

 

ফেমি-ফ্রেশ কেন প্রয়োজনীয়?

সুস্বাস্থ্যের পূর্বশর্ত বা প্রথম ধাপ হলো নিজস্ব স্বাস্থ্যবিধি। নিজস্ব স্বাস্থ্যবিধি বলতে শুধু সুন্দর চুল, সুন্দর দাঁত, সুন্দর ত্বক কে বুঝায় না। মহিলাদের
সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান হল ভ্যাজাইনা (যোনি) যা প্রায়শই অবহেলিত। যোনিতে প্রতিদিনের মৃত কোষ, ঘাম, দূর্গন্ধ ছাড়া আরো বিভিন্ন সমস্যা হয়।
অনেকেই মনে করেন গোসলের সময় পানি আর সাবান দিয়ে পরিষ্কার করলেই বুঝি হয়ে গেলো, কিন্তু না। ভ্যাজাইনার pH মেইনটেইনেন্স ও একটি
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ একটি স্বাস্থ্যবান যোনির আদর্শ pH মান 2.5 থেকে 5.0 । শুধু সাবান এবং পানির ভ্যাজাইনাল ক্লিনসিং এর জন্য যথেষ্ট নয়। কারন
পানির pH মান 7 এবং সাবানের pH মান 12।

বর্ণনাঃ

ভ্যাজাইনাতে আছে প্রতিরক্ষামূলক স্তর যা অম্লীয়। একটি স্বাস্থ্যবান যোনির আর্দশ pH মান 2.5 থেকে 5.0 । উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন ল্যাকটোব্যাসিলি;
ল্যাকটিক এসিড তৈরির মাধ্যমে pH এর মাত্রা ঠিক রাখে। এটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কে বাধা প্রদান করে। আমাদের শরীরের যথাযথ কার্যকারীতার জন্য pH ভারসাম্য অত্যাবশ্যক। যোনির pH মান ঠিক না থাকলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে জীবাণু, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, দুর্গন্ধ, সাদা স্রাব যাওয়া বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। ফেমি-ফ্রেশ (ইনটিমেট ওয়াশ) নিরাপদ ভাবে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে এবং সকল প্রকার ব্যাকটেরিয়া ঘঠিত সংক্রমন প্রতিরোধের পাশাপাশি যোনির দূর্গন্ধ দূর করে।

উপাদানঃ

ফেমি-ফ্রেশ (ফেমিনিন হাইজিন ওয়াশ) এ আছে ল্যাকটিক এসিড, নিম ওয়েল, ফ্রট ওয়েল, টি ট্রি ওয়েল, ভিটামিন ই, এলোভেরা ও অন্যান্য উপাদান।

যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার হবেঃ

* ভ্যাজাইনাল চুলকানিতে, প্রদাহে জ্বালা-পোড়ায়, র‌্যাশ ওঠায় অথবা অনিয়মিত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ (সাদাস্রাব) জনিত কারনে।
* পিরিয়ত (মাসিক) কালীন ও গর্ভকালীন সময়ের সংক্রমন প্রতিরোধে।
* মাসিকের সময়, স্যানিটারি ন্যাপকিন পরিবর্তন করার সময় ব্যবহার্য।
* ভ্যাজাইনাল ওডর/ব্যাড স্মেল/দূর্গন্ধ দূর করতে।
* ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়ক।

ব্যবহারের নিয়মঃ

ফেমি-েফ্রেশ (ইনটিমেট ওয়াশ) দিনের যে কোন সময়ে দ্রুত এবং সহজেই ব্যবহার করা যায়। হাতের তালুতে ফেমি-ফ্রেশ (ফেমিনিন হাইজিন ওয়াশ) ঢেলে তা আলতোভাবে ভ্যাজাইনাতে বাহ্যিক অংশে প্রয়োগ করতে হবে। ভালোভাবে ফেনা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রতিদিন যে কোন সময়ে, গোসলের সময়ে সহবাসের আগে এবং পরে ব্যবহার করতে পারেন।

যোনি ভালো রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলুনঃ

* ক্ষারযুক্ত সুগন্ধি সাবান, স্প্রে, সুগন্ধি পাউডার, সিনথেটিক অন্তর্বাস, আটশাট জামা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। প্রদিদিন অন্তত ২ বার ফেমি-ফ্রেশ (ফেমিনিন হাইজিন ওয়াশ) ব্যবহার করুন।